ইউটিউবে অগুনতি ভিডিয়ো দেখার পরেও মনের মতো কেক তৈরি করতে পারছেন না, কোথায় ভুল হচ্ছে?

26th December 2023 11:10 am Country News
ইউটিউবে অগুনতি ভিডিয়ো দেখার পরেও মনের মতো কেক তৈরি করতে পারছেন না, কোথায় ভুল হচ্ছে?


বন্ধুদের নিজের হাতে তৈরি কেক খাওয়াতে চান। তাই রাতের পর রাত জেগে ইউটিউবে পর পর কেক তৈরির ভিডিয়ো দেখেছেন। একেবারে পেশাদার ‘বেকার’দের মতো না হলেও মনের মতো কেকও ঠিক হচ্ছে না। হয় কেকের মিশ্রণ খুব পাতলা হয়ে যাচ্ছে, না হলে বিস্কুটের মতো শক্ত হয়ে যাচ্ছে। খেতেও যে খুব ভাল লাগছে, তা নয়। মুখে দিলে কেকের সেই মসৃণ ভাবও পাচ্ছেন না। রন্ধনশিল্পীদের মতে, কেক বা কুকি তৈরি করতে গেলে উপকরণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনেকটা ধৈর্য। কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই মনের মতো কেক তৈরি করতে পারবেন।

১) মাখন ভাল না হলে বিপদ

 

কেক বা কুকি তৈরিতে মাখনের ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কেকের মধ্যে মোলায়েম বা মসৃণ ব্যাপারটির জন্য মাখনের মান ভাল হওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ‘আনসল্টেড’ বা নুন ছাড়া মাখন ব্যবহার করতে পারলেই ভাল। মাখনের মধ্যে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকলে কেক নরম, তুলতলে হবে।

২) সঠিক পরিমাপ জরুরি

 

কুকি হোক বা কেক, তৈরির ক্ষেত্রে ময়দা, বেকিং সোডা, কোকো পাউডার, গুঁড়ো চিনি, মাখন, ডিম, ভ্যানিলা এসেন্স, এমনকি ড্রাই ফ্রুট্‌স— প্রতিটি উপকরণের মাপ সঠিক না হলে কেক হয়ে যাবে কুকি আর কুকি হয়ে যাবে ঠেকুয়া।

 

৩) প্রতিটি পর্যায়ে ধৈর্য রাখা প্রয়োজন

 

বেকিং-এর ক্ষেত্রে অনেকগুলি ধাপ বা পর্যায় রয়েছে। চালুনির সাহায্যে ময়দা চেলে নেওয়া থেকে প্রতিটি ডিম আলাদা আলাদা করে ফেটিয়ে নেওয়া— সব কাজ অত্যন্ত ধৈর্য নিয়ে করতে হবে। কেকের মিশ্রণ থেকে কেক সাজানো, সবেতেই অনেক সময় লাগে। হাতে সময় কম থাকলে, বেকিং না করাই ভাল।

৪) সঠিক তাপমাত্রা

 

বেকিং-এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেক বা কুকি তৈরির ক্ষেত্রে ‘স্লো কুকিং’ জরুরি। তাই বেকিং-এর আগে এই সম্বন্ধে সবটা ভাল করে জেনে নিয়ে তার পর মাঠে নামুন। তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে ভেবে অভেনের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিলে কিন্তু লাভ হবে না। কেক বা কুকি পুড়ে যাবে।

 

৫) কেক ঠান্ডা করা

 

কেক বেক করার পর, তা সময় নিয়ে ঠান্ডা করাও খুব জরুরি। অভেন থেকে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কেক পরিবেশন করলে তার স্বাদ পাওয়া যাবে না। তাই অভেন থেকে বার করার পর, বেকিং করার পাত্রের মধ্যেই কেক বা কুকি সঠিক ভাবে ঠান্ডা করে নিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।