বাড়িতে চিকেন মোমো বানান কিন্তু স্যুপ আর চাটনি কিছুতেই দোকানের মতো হয় না, কী করবেন?

13th January 2024 2:38 pm Country News
বাড়িতে চিকেন মোমো বানান কিন্তু স্যুপ আর চাটনি কিছুতেই দোকানের মতো হয় না, কী করবেন?


বছরের শুরুতেই এত ছুটি পাওয়া যাবে না। তাই চাইলেও পাহাড়ে যাওয়ার উপায় নেই। তাই বলে কি পাহাড়ের আমেজ অধরা থাকবে? নিজের বাড়ির বারান্দায় বসে মোমো খেয়ে সস্তায় পাহাড়বিলাস করেন অনেকেই। এর আগেও নিজে হাতে বহুবার মোমো তৈরি করেছেন। মুশকিল হচ্ছে ফুটপাতে বসা দোকান থেকে মোমোর নকশা নকল করতে পারলেও স্যুপ আর চাটনির স্বাদ কিছুতেই তাঁদের মতো হচ্ছে না? চিন্তা নেই। নীচে দেওয়া পদ্ধতি মেনে স্যুপ এবং চাটনি বানালে শীতের সন্ধ্যা একেবারে জমে যাবে।

মোমোর স্যুপ তৈরি করতে কী কী লাগবে?

 

উপকরণ

মুরগির হাড়: ২৫০ গ্রাম

 

নুন: ১ টেবিল চামচ

 

পেঁয়াজ কুচি: ৩ টেবিল চামচ

 

গাজর কুচি: আধ কাপ

 

তেজপাতা: ২টি

 

গোলমরিচ: ১০টি

 

জল: ১ লিটার

 

পেঁয়াজ পাতা: আধ কাপ

প্রণালী

 

১) প্রথমে একটি পাত্রে জল, মুরগির হাড় এবং নুন দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন।

 

২) এ বার বড় একটি পাত্রে জল ফুটতে দিন। তার মধ্যে মাংসের হাড়গুলো দিয়ে দিন। গ্যাস একেবারে ঢিমে রেখে, মিনিট দশেক ফুটতে দিন।

 

৩) ওই জলের মধ্যে তেজপাতা, পেঁয়াজ এবং গাজর কুচি দিয়ে দিন। আঁচ যেন একেবারে ঢিমে থাকে।

 

৪) এই অবস্থায় ঘণ্টা তিনেক রেখে দিন। কিন্তু কড়াইয়ের জল যেন না ফোটে। না হলে স্যুপের রং ঘোলাটে হয়ে যাবে, স্বচ্ছ হবে না।

 

৫) চাইলে মাংসের হাড়, পেঁয়াজ, গাজর স্যুপ থেকে ছেঁকে তুলে নিতে পারেন। রেখে দিলেও ক্ষতি নেই।

 

৬) স্যুপের বাটিতে পরিবেশন করার সময়ে উপর থেকে নুন এবং গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে নিতে ভুলবেন না যেন।

মোমোর চাটনি তৈরি করতে কী কী লাগবে?

 

উপকরণ

 

শুকনো লঙ্কা: ৫-৬টি

 

ভিনিগার: ২ টেবিল চামচ

 

রসুন: ২-৩ কোয়া

 

নুন: আধ চা চামচ

 

চিনি: আধ চা চামচ

প্রণালী

 

১) প্রথমে শুকনো লঙ্কা চিরে দানাগুলো বার করে নিন।

 

২) এ বার গরম জলে মিনিট পনেরো ভিজিয়ে রাখুন। হাতে ঘণ্টা দুয়েক সময় থাকলে ভিনিগারেও ভিজিয়ে রাখতে পারেন।

 

৩) মিক্সিতে সমস্তটা নিয়ে পেস্ট করে নিন। রসুনের কোয়াগুলোও মিক্সিতে দিয়ে দিন। নুন এবং চিনিও দিয়ে দিন।

 

৪) না হলে মিহি করে রসুন কুচো করে লঙ্কার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন।

 

৫) উপর থেকে সামান্য সাদা তেল ছড়িয়ে নিন।

 

৬) এ বার গরম গরম মোমোর সঙ্গে পরিবেশন করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।