অবশেষে নিজের দোষ স্বীকার করে নিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

26th January 2024 8:24 pm Country News
অবশেষে নিজের দোষ স্বীকার করে নিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক


রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইডির পেশ করা রিপোর্টে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা জানা যাচ্ছে, আদালতে পেশ করা রিপোর্টে ইডি দাবি করেছে, 'খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর দফতরে রেশন বণ্টনে দুর্নীতির কথা জানতেন বালু'। এমনটা নাকি জেরায় স্বীকার করেছেন খোদ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।ব্যাঙ্কশাল আদালতে যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানে ইডি দাবি করেছে, ‘চালকল-গমকল মালিক থেকে শুরু করে ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এফআইআর দায়ের থেকে সিআইডি তদন্ত, খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সবই গোচরে ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। গত ৩১ অক্টোবর জেরায় স্বীকার করেছেন ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক’। কিন্তু সব জেনেও চুপ ছিলেন মন্ত্রী। দুর্নীতির কোনও প্রতিবাদ করেননি তিনি। নিজেও জড়িয়েছেন তাতে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি এনেছে ইডি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।