পিরিয়ডসের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে এই ঘরোয়া উপায় কাজে লাগান রইল টিপস

27th January 2024 7:51 pm Country News
পিরিয়ডসের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে এই ঘরোয়া উপায় কাজে লাগান রইল টিপস


পিরিয়ডের সময় অল্প স্বল্প পেটব্যথা প্রায় সবারই হয়। কারো কারো ব্যথা আবার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। ব্যথার কারণে দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ রাখতে হয় অনেকের। সাধারণত ১৬ থেকে ২৪ বছরের মেয়েরা এ সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন।অনেকেই ব্যথা কমাতে বিভিন্ন ঔষধ খেয়ে থাকে। খুব জরুরী না হলে ওষুধ খেতে নিষেধ করেন চিকিত্‍সকরা।আজ জেনে নিন ঘরোয়া কিছু উপায় যাতে ব্যাথা দূর হবে।- বাড়িতে সহজে পাওয়া যায় মৌরি। এই মৌরি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ভেষজ চা। পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর অব্যর্থ ওষুধ এটি। ‌- পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে রান্না করা সব খাবারে তিল তেল ব্যবহার করুন। এছাড়া একটু তিলের তেল গরম করে পেটে মাখলেও পেটের ব্যথা কমে।- রান্নাতে ফোড়ন বা মশলা হিসেবে জিরা ও মৌরির পরিমাণ বাড়ান। পুরনো কালে রান্নায় মৌরির খুব ব্যবহার ছিল।পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শরীরচর্চা করা থেকে বিরত থাকুন। এছাড়াও মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।