কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক পেতে নামীদামি প্রসাধনী নয়, ঘরোয়া ৩ উপাদানেই আস্থা রাখেন তমন্না

29th January 2024 5:56 pm Country News
কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক পেতে নামীদামি প্রসাধনী নয়, ঘরোয়া ৩ উপাদানেই আস্থা রাখেন তমন্না


তারকা মানেই প্রতি দিন সালোঁয় যান কিংবা নামীদামি প্রসাধনী ব্যবহার করেন। এমন ধারণা অনুরাগী, সাধারণ মানুষের মনে থাকা অস্বাভাবিক নয়। পেশার তাগিদে রূপচর্চার দিকে তাঁদের একটু বেশিই নজর দিতে হয়। এ কথা ভুল নয়। তবে তা সব সময়ে সালোঁ বা প্রসাধনীনির্ভর নয়। মেকআপ করলেও প্রতি দিনের রূপচর্চার জন্য তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রীরা কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদানের উপর আস্থা রাখেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়া জানিয়েছেন সে কথা। অভিনয়ের পাশাপাশি দাগ, ছোপহীন উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অনুরাগীদের নজরে থাকেন বাহুবলী খ্যাত এই অভিনেত্রী।

নিজের ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত শরীরচর্চা কিংবা রূরচর্চার টোটকা দেন তমন্না। শীতেও ত্বকের প্রাকৃতিক জেল্লা ধরে রাখতে, ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর করতে হেঁশেলের তিনটি উপকরণ দিয়ে বিশেষ একটি মাস্ক তৈরি করেন। মিনিট দশেক পরে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে নেন মুখ। তমন্না জানিয়েছেন, এই মাস্ক আবার স্ক্রাব হিসাবেও ব্যবহার করা যায়। তবে যাঁদের ত্বক ভীষণ স্পর্শকাতর, তাঁদের মুখে এই স্ক্রাব ব্যবহার না করাই ভাল। কাচের মতো স্বচ্ছ ত্বক পেতে ছুটির দিন, সপ্তাহে এক বার ব্যবহার করাই যায় তমন্নার এই ঘরোয়া মাস্ক।

 

তমন্নার রূপচর্চায় যে মাস্ক ব্যবহার করেন, তা তৈরি করতে কী কী লাগবে?

গুঁড়ো চন্দন: ১ টেবিল চামচ

 

কফি: আধ টেবিল চামচ

 

মধু: ১ টেবিল চামচ

পদ্ধতি:

 

১) ছোট একটি পাত্রে তিনটি উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিন।

 

২) মিশ্রণ যদি খুব ঘন হয়ে যায় তাই প্রয়োজনে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে পারেন।

 

৩) প্রথমে মাইল্ড কোনও ক্লিনজ়ার দিয়ে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। তার পর মুখে মিনিট দশেক এই মাস্ক মেখে রাখুন।

 

৪) ঈষদুষ্ণ জলে ধোয়ার সময়ে হালকা করে স্ক্রাব করে নিতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।