জোম্যাটো সুইগিকে টক্কর দিতে আসছে Tataর ফুড ডেলিভারি অ্যাপ কবে থেকে চালু হচ্ছে এটি?

10th February 2024 7:51 pm Country News
জোম্যাটো সুইগিকে টক্কর দিতে আসছে Tataর ফুড ডেলিভারি অ্যাপ কবে থেকে চালু হচ্ছে এটি?


ফুড ডেলিভারি অ্যাপ হিসাবে বর্তমানে বিশেষ জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হল, সুইগি ও জোম্যাটো। এবার ফুড ডেলিভারি অ্যাপের দুনিয়ায় ঢুকছে টাটা গোষ্ঠী। সুইগি ও জোম্যাটো-কে টেক্কা দিতে শীঘ্রই আসতে চলেছে Tata Neu। মাস খানেকের মধ্যেই এই অ্যাপের ট্রায়াল রান শুরু হয়ে যাবে বলে সূত্রের খবর।ইস্পাত শিল্প, বিমান সংস্থা থেকে শুরু করে গৃহস্থের দৈনন্দিন সামগ্রীতে পর্যন্ত টাটা গোষ্ঠীর একচেটিয়া বিস্তার রয়েছে। এবার অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মেও পদার্পণ করতে চলেছে এই সংস্থা। Tata Neu অ্যাপের মাধ্যমে খাবার থেকে শুরু করে মুদিখানার সামগ্রী, পোশাক, গয়না, এমনকি বিমানের টিকিটও বুকিং করতে পারবেন গ্রাহকেরা।বর্তমানে এককভাবে Swiggy এবং Zomato-এর আধিপত্যে রয়েছে প্রায় ৯৬ শতাংশ বাজার। এই দুই সংস্থার কাছে চ্যালেঞ্জ হলেও এই প্ল্যাটফর্মে এখনও অনেকটাই পিছনে রয়েছে Amazon, niche startups -এর মতো সংস্থাগুলি। তবে এবার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে চলেছে টাটা।উল্লম্ব সমষ্টিকারীর কাছ থেকে নগণ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে। Tata Neu এর ইউনিফাইড শপিং প্রোপোজিশন সহ বিভিন্ন বিভাগ জুড়ে ভোক্তা ওয়ালেটের একটি সমন্বিত শেয়ারকে লক্ষ্য করতে পারে।খাদ্য সরবরাহ টাটা ছাতা অ্যাপের জন্য প্রতিদিনের ব্যস্ততা এবং ধরে রাখার জন্য প্রচুর প্রতিযোগিতামূলক সম্ভাবনার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং ONDC-এর মাধ্যমে পরিপক্ক ইকমার্স ইকোসিস্টেম থেকে উপকৃত হয় যা হাজার হাজার হাইপারলোকাল বিক্রেতাদের কাছে লেভেল প্লেয়িং অ্যাক্সেসিবিলিটি সহজতর করে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।