বাড়িতে গোটাসেদ্ধ রাঁধার নিয়ম নেই, কিন্তু খেতে ভালবাসেন! সেই পদের সহজ রেসিপি রইল এখানে

15th February 2024 8:19 pm Country News
বাড়িতে গোটাসেদ্ধ রাঁধার নিয়ম নেই, কিন্তু খেতে ভালবাসেন! সেই পদের সহজ রেসিপি রইল এখানে


অনেক বাড়িতেই সরস্বতী পুজোর পরের দিন শীতল ষষ্ঠী পালন করা হয়। সন্তানের মঙ্গলকামনায় এই ব্রত পালন করেন মায়েরা। শীতল ষষ্ঠীতে গরম কোনও খাবার খাওয়ার নিয়ম নেই। তাই সরস্বতী পুজোর সন্ধ্যায় গোটাসেদ্ধ রান্না করে রাখা হয়। তবে অনেক বাড়িতেই এই গোটাসেদ্ধ রাঁধার চল নেই। কিন্তু আশপাশের বাড়ি থেকে তার গন্ধ ভেসে এলে নিজেকে আটকানো মুশকিল। কে কবে নিমন্ত্রণ করে গোটাসেদ্ধ খাওয়াবেন তার অপেক্ষায় না থেকে বাড়িতেই তা রেঁধে ফেলতে পারেন। রইল সহজ পদ্ধতি।

উপকরণ:

 

ছোট আলু: ৬টি

কড়াইশুঁটি: ৬টি

 

সিম: ৬টি

 

ছোট বেগুন: ৬টি

 

কচি পালংশাক: ৬ আঁটি

 

শীষপালং: ৬ আঁটি

 

রাঙা আলু: ৬টি

 

কাঁচা মুগডাল: আধ কাপ

 

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

লঙ্কা গুঁড়ো: ২ চা চামচ

 

জিরে গুঁড়ো: ২ চা চামচ

 

ধনে গুঁড়ো: ২ চা চামচ

 

পাঁচফোড়ন: ১ টেবিল চামচ

 

শুকনো লঙ্কা: ৩-৪টি

 

নুন: পরিমাণ মতো

 

চিনি: স্বাদ মতো

 

সর্ষের তেল: ৪ টেবিল চামচ

 

প্রণালী:

 

১) প্রথমে ডাল এবং সমস্ত সব্জি ভাল করে ধুয়ে, জল ঝরিয়ে রাখুন।

 

২) ছোট একটি পাত্রে পরিমাণ মতো হলুদ, ধনে, জিরে এবং লঙ্কাগুঁড়ো জল দিয়ে গুলে নিন।

 

৩) এ বার বড় একটি পাত্রে পরিমাণ মতো সর্ষের তেল গরম করতে দিন। এর মধ্যে পাঁচফোড়ন এবং শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন।

 

৪) এ বার একে একে সব্জিগুলো দিতে শুরু করুন। এর পর দিন মুগডাল। এই সময়েই দিয়ে দিন পরিমাণ মতো নুন এবং চিনি।

 

৫) শাক এবং বেগুন সবার শেষে দিতে হবে। সব্জি থেকে জল বেরোতে শুরু করবে। সেই জলেই গোটা বিষয়টি সেদ্ধ হবে।

৬) শাক-সব্জি একটু ভাজা ভাজা হলে গুলে রাখা মশলার মিশ্রণ দিয়ে দিন। আলাদা করে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

৭) গোটার নিজস্ব একটা গন্ধ আছে। সব কিছু সেদ্ধ হয়ে গেলেই সেই গন্ধ বেরোতে শুরু করবে। মাখো মাখো হয়ে এলেই গ্যাস বন্ধ করে দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।