ঝাঁঝালো গন্ধ সহ্য করে নিয়মিত খেতে পারলে কাঁচা পেঁয়াজের ৫ গুণে অনেক রোগই দূরে থাকবে

14th March 2024 8:06 am Country News
ঝাঁঝালো গন্ধ সহ্য করে নিয়মিত খেতে পারলে কাঁচা পেঁয়াজের ৫ গুণে অনেক রোগই দূরে থাকবে


বাড়িতে তো বটেই, রেস্তরাঁয় খেতে গেলেও স্যালাডে কাঁচা পেঁয়াজ দিতে বারণ করেন। কারণ, পেঁয়াজের অস্বস্তিকর গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। অনেকের আবার কাঁচা পেঁয়াজ খেলে চোঁয়া ঢেকুর ওঠে, হজমের সমস্যা হয়। তবে পুষ্টিবিদেরা বলছেন অন্য কথা। পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে পেঁয়াজ খেলে শারীরিক সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যেমন কারও যদি হজমের গোলমাল থাকে সে ক্ষেত্রে রাতে তা না খাওয়াই ভাল। আবার সকালে জলখাবারে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তবে, পেঁয়াজের মধ্যে যে সব উপাদান রয়েছে, তা আদতে শরীরের জন্য ভাল। তা ছাড়া গরমকালে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে শরীরও ঠান্ডা থাকে।

পেঁয়াজে এমন কী কী আছে যা খেলে শরীর ভাল থাকতে পারে?

 

১) ফাইবার বেশি

পেঁয়াজ খেলে অনেকেরই চোঁয়া ঢেকুর ওঠে। তবে পুষ্টিবিদেরা বলছেন, পরিমিত পরিমাণে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে তা খাবার হজম করাতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। অন্ত্র ভাল রাখার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা মেটাতেও পেঁয়াজ বেশ কার্যকর।

 

২) অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ

 

ফ্ল্যাভনয়েড এবং সালফারের মতো উপাদান প্রদাহনাশক হিসেবেই পরিচিত। পেঁয়াজের মধ্যে এই দুটি উপাদানই যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। তাই নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে প্রদাহজনিত সমস্যা সহজেই এড়ানো যায়।

 

৩) ভিটামিন সি

 

টকজাতীয় ফলে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ বেশি। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না পেঁয়াজের মধ্যেও ভিটামিন সি থাকে। আর থাকে ভিটামিন বি৬। বিপাকহার উন্নত করা থেকে স্নায়ুতন্ত্রের কাজ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে এই উপাদানগুলি।

 

৪) প্রিবায়োটিক উপাদান

 

পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে ইনিউলিন নামক এক ধরনের ফাইবার। এই উপদানটি অন্ত্রে ভাল ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে। এই ব্যাক্টেরিয়াগুলি খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

 

৫) শর্করা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা

 

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেঁয়াজের মধ্যে ইনসুলিন হরমোনের ‘সেনসিটিভিটি’ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তাই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ডায়েটে কাঁচা পেঁয়াজ রাখা জরুরি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।