খুলছে প্রচুর বিনিয়োগের দ্বার! আড়ে বহরে আরও বাড়বে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস

13th October 2023 10:24 pm Country News
খুলছে প্রচুর বিনিয়োগের দ্বার! আড়ে বহরে আরও বাড়বে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস


বাংলায় আবার লগ্নি করছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৯৯৯ কোটি টাকা লাভের মুখ দেখেছে সংস্থাটি। এবার নয়া প্রোডাকশন লাইন গড়তে বিপুল বিনিয়োগ করতে পরিকল্পনা করছে তারা। ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে হলদিয়া পেট্রোক্যাম।

 

২০১৪ সালে বড়সড় সমস্যায় পড়তে হয়েছিল সংস্থাটিকে। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের পরিবর্তনের পর রাতারাতি ঘুরে দাঁড়িয়েছিল তারা। চ্যাটার্জি গ্রুপের হাতে দায়িত্বভার যাওয়ার পরে নতুন নতুন ক্ষেত্রে যেমন বিনিয়োগ করা হয়েছে, তেমনই রাসায়নিকের মতো ক্ষেত্রে বাণিজ্যে বিপুল উন্নতি হয়েছে। আর এবার নতুন করে দেশের প্রথম অন-পারপাস প্রপিলিন প্লান্ট এবং দেশের বৃহত্তম ফেনল প্লান্ট তৈরি করছে হলদিয়া পেট্রোক্যাম।

 

এই পরিস্থিতিতে দেশের অন্যতম বৃহৎ পেট্রোকেম সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার নবনীত নারায়ণ জানাচ্ছেন, ”এই ধরনের প্লান্টের কমিশনিংয়ের ফলে সামগ্রিক রাসায়নিক ব্যবসা বাড়বে অতিরিক্ত ৫ হাজার কোটি টাকার। ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রকল্পকে সম্পূর্ণ করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী টার্গেট করেছে সংস্থা।”

 

ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, নগরায়ন ও অটোমোবাইল উৎপাদন, নির্মাণ, কৃষি, রাসায়নিক ও ফার্মাসিউটিক্যালে এর ইতিবাচক প্রভাবের কারণে পেট্রোকেমিক্যালের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ করল হলদিয়া পেট্রোক্যাম।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।