ডে.ঞ্জার জোনে বিক্রম-প্রজ্ঞান! তারামণ্ডল ঘিরে ফেলেছে চন্দ্রযানের দুই সৈনিককে, তারপর..

21st October 2023 6:17 pm Country News
ডে.ঞ্জার জোনে বিক্রম-প্রজ্ঞান! তারামণ্ডল ঘিরে ফেলেছে চন্দ্রযানের দুই সৈনিককে, তারপর..


ভারতকে গৌরবের চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে যে দুটো নাম, আজ তারাই চরম বিপদে। চাঁদের মাটিতে বিক্রম- প্রজ্ঞানের (Vikram and Praggan) যুগলবন্দিতে গোটা বিশ্বে ভারতের স্থান অনেক উপরে উঠে যায়। কিন্তু মাত্র দু সপ্তাহের আয়ু নিয়ে যাত্রা করেছিল চন্দ্রযান ৩- এর (Chandrayaan 3) দুই নির্ভরযোগ্য সৈনিক।চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এখন আঁধার, তাই কাজ শেষ হওয়ার পর তাদের পাকাপাকিভাবে শীতঘুমে পাঠিয়ে দিয়েছেন ইসরোর (ISRO ) বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এ কী? হঠাত্‍ করে নতুন বিপদের মুখে বিক্রম-প্রজ্ঞান (Vikram and Praggan)। রাত গভীর হলেই ঝাঁকে ঝাঁকে ঘিরে ধরছে তারা। যেন এই দুজনের নিঃশব্দ উপস্থিতিও তারা বরখাস্ত করতে পারছে না। তবে কী চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে চলেছে ল্যান্ডার আর রোভার?মহাকাশ বিজ্ঞানীরা স্বীকার করে নিচ্ছেন, যে চাঁদের মাটিতে বিপদ বাড়ছে বিক্রম-প্রজ্ঞানের। তাঁরা বলছেন যেহেতু চাঁদে পৃথিবীর মতো বায়ুমণ্ডল নেই তাই মহাজাগতিক রশ্মির (UV Ray) সরাসরি চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে শতাধিক ধূমকেতুকে চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়তে দেখা গেছে। আর এতেই বিক্রম প্রজ্ঞানের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এই রশ্মি যদি সফটওয়্যারকে কোনও ভাবে আঘাত করে, তাহলে এক মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে যাবে। সাধারণত তাপমাত্রার ফারাক এবং মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে বিরাট এলাকা জুড়ে ধুলোর ঝড় শুরু হয়। চাঁদে তেমন কিছু শুরু হলে বিপদ আরও বাড়বে বিক্রম-প্রজ্ঞানের।ধুমকেতু বা মহাজাগতিক রশ্মির এমন উত্‍পাত যে পৃথিবীতে হয় না, তা নয়। কিন্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আমাদের সেই সবকিছু থেকে রক্ষা করে। এর শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের আবরণের কারণে মহাজাগতিক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাই আমরা। কিন্তু চাঁদে সেই পরিসর নেই। সেখানে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র না থাকায় উল্কা, ধূমকেতু বা মহাজাগতিক রশ্মিরা চাঁদের মাটিতে সরাসরি হামলা চালায়। যা এই মুহূর্তে ঘটছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার অধ্যাপকরা মনে করছেন, সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি বা অন্য কোনও মহাজাগতিক রশ্মি চাঁদের মাটিতে সরাসরি আছড়ে পড়ার সময় সূক্ষাতিসূক্ষ ধূলিকণাগুলিকে আঘাত করে। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।