কলকাতায় শো করতে আসছেন শ্রেয়া ঘোষাল কবে-কোথায় অনুষ্ঠান?

24th November 2023 7:49 pm Country News
কলকাতায় শো করতে আসছেন শ্রেয়া ঘোষাল কবে-কোথায় অনুষ্ঠান?


জমে উঠবে আরও একটা সঙ্গীত সন্ধ্যা। বাঙালি শ্রোতাদের সুরের মূর্ছনায় ভাসাতে কলকাতায় আসছেন শ্রেয়া ঘোষাল। ২ ডিসেম্বর কলকাতায় রয়েছে শ্রেয়ার মিউজিক্যাল নাইটস। আসলে 'অল হার্টস ট্যুর' শুরু করছেন শ্রেয়া, আর সেটা শুরু হচ্ছে এই শহর কলকাতা থেকেই। এরপর কোচি পুনে, লন্ডন, ম্যাঞ্চেস্টারও শো করবেন শ্রেয়া।কিন্তু কীভাবে কাটবেন শ্রেয়া ঘোষালের শোয়ের টিকিট?

জানা যাচ্ছে, কলকাতায় শ্রেয়া ঘোষালের শোয়ের উপস্থাপনায় রয়েছে সেন্টারস্টেজ সংস্থা।কিন্তু ২ ডিসেম্বর কখন, কোথায় হচ্ছে শ্রেয়ার শো?      প্রসঙ্গত, কলকাতার পর আগামী ৯ ডিসেম্বর পুনেতে রয়েছে শ্রেয়ার ALL HEARTS TOUR-এর শো, তারপরের শো রয়েছে ২৩ ডিসেম্বর কোচিতে। এরপর ২০২৪-এর ৯ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে শো করছেন শ্রেয়া, তারপর ২৪ ফেব্রুয়ারি ম্যাঞ্চেস্টারে শো করবেন বাঙালি গায়িকা। জানা যাচ্ছে দোহা এবং সিঙ্গাপুরেও শো করার কথা রয়েছে শ্রেয়া ঘোষালের। তবে সেটা মার্চে। সেই টিকিট কবে থেকে বুক করা যাবে, তা শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।