এক ঢিলে দুই পাখি অজিদের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়ে পাকিস্তানের কোন রেকর্ড ভাঙল টিম ইন্ডিয়া?

2nd December 2023 10:50 pm Country News
এক ঢিলে দুই পাখি অজিদের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়ে পাকিস্তানের কোন রেকর্ড ভাঙল টিম ইন্ডিয়া?


একেই বলে 'এক ঢিলে দুই পাখি' মারা। অস্ট্রেলিয়াকে (Australia) সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ রানে হারিয়ে, ইতিমধ্যেই সিরিজ জিতে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া (Team India)। আপাতত চলতি সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে সূর্য কুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) দল।আর এই সিরিজ জয়ের সঙ্গে এবার বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলল 'মেন ইন ব্লু' ব্রিগেড। এতদিন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতার রেকর্ড ছিল পাকিস্তানের (Pakistan) ঝুলিতে। এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশকে পিছিয়ে দিল ভারত।টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারত এখনও পর্যন্ত মোট ২১৩টি ম্যাচ খেলেছে। এরমধ্যে ১৩৬টি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি ৬৭টি ম্যাচে হারতে হয়েছে। টাই হয়েছে একটি ম্যাচ, অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছে তিনটি ম্যাচ।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোহলির খেলা নিয়ে 'বিরাট' অনিশ্চয়তা! কিন্তু কেন?অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে জয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের ১৩৬তম জয়, যা সর্বকালের সর্বাধিক। ভারতের ঠিক পিছনেই রয়েছে পাকিস্তান। ২২৩টি ম্যাচে পাক দল জিতেছে ১৩২টি ম্যাচে। হার ৮১টি ম্যাচে।ভারত ও পাকিস্তানের পর তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২০০টি ম্যাচ খেলে কিউয়িরা ১০২টি ম্যাচ জিতেছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া (১৮১টি ম্যাচে ৯৫টি জয়)। দক্ষিণ আফ্রিকাও অস্ট্রেলিয়ার সমসংখ্যক ম্যাচ জিতেছে। তবে অজিদের থেকে ১০টি ম্যাচ কম খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।সাদা বলের ক্রিকেটে নেই শামি! বাংলার পেসারের বিশ্বকাপ ভাগ্য ঝুলছে IPL-এর উপর?

ভারত ও পাকিস্তানের পর তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২০০টি ম্যাচ খেলে কিউয়িরা ১০২টি ম্যাচ জিতেছে।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া (১৮১টি ম্যাচে ৯৫টি জয়)। দক্ষিণ আফ্রিকাও অস্ট্রেলিয়ার সমসংখ্যক ম্যাচ জিতেছে। তবে অজিদের থেকে ১০টি ম্যাচ কম খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে জয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের ৩৬তম জয়, যা সর্বকালের সর্বাধিক।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।